Tuesday, 4 November 2014

সাধারণভাবে সদ্য ঢালাইকৃত কংক্রিট কে জমিয়ে নির্দিস্টি আকারে আনার জন্য কাঠ,প্লাস্টিক বা লোহা দ্বারা যে অস্থায়ী কাঠামো নির্মাণ করা হয় তাকে ফর্মওয়ার্ক বলে। একটি ফর্মওয়ার্কের নিম্নোক্ত উপাংশগুলো থাকে: *শীটিং *ইওক *ওয়েজ *ক্লিট *ব্যাটেন *লেজার *বোল্ট একটি ফর্মওয়ার্কের উপর নিচের লোড গুলো আসতে পারে... *সদ্য ঢালাই কৃত কংক্রিট এর ওজন,সাধারণত 2600kg/m3. *সদ্য ঢালাইকৃত কংক্রিট .এর হাইড্রোস্ট্যাটিক প্রেসার। *কার্যরত শ্রমিকের ওজন,সাধারণত 370-400kg/m3. *ঢালাই এর সময় ইমপ্যাক্ট প্রতিক্রিয়া। *কম্পন জনিত লোড একটি ভাল ফর্মওয়ার্কের নিচের গুণগুলো থাকতে হবে... *এটি শক্ত হবে। *সমস্ত লোড বহন উপযোগী হবে। *ফর্মওয়ার্কের মালামাল সস্তা,সহজ প্রাপ্য,পুনঃব্যবহার যোগ্য হবে। *ডিফ্লেকশন জনিত কারণে কোন ক্ষতি হবে না। *এটা পানি রোধী হবে *ওজনে হালকা হবে *পৃষ্টদেশ মসৃণ হবে *সিমেন্ট গ্রাউন্ট লিকেজ করবে না। *মজবুত সার্পোট এর উপর ফর্মওয়াক স্থাপন করতে হবে। ধন্যবাদ সবাইকে।আশা করি,সবাই রমযানের 5 তম রোযা টি পালন করছেন।ইসলামের চেতনায় উজ্জীবিত হন,এই কামনা র'ইল।

http://architecturaldesignarup.blogspot.com/

Modeling with 3ds Max Modeling an Apple
http://architecturalinsightarup.blogspot.com/

Monday, 3 November 2014

বাঁধ ব্যর্থ হওয়ার কারণ

আমরা জানি যে,কোন নদী বা স্রোতস্বিনীতে আডাআডি ভাবে নির্মিত মাটি বা পাকা প্রাচীরের যে প্রতিবন্ধক নির্মাণ করা হয় তাকে বাঁধ বলে। অনেকগুলো কারণে এই বাঁধ ব্যর্থ হতে পারে,যেমন: *বাঁধের উপর দিয়ে পানি গডানো * স্লিপিং *পারকুলেশন বা লিকেজ *ক্ষয় *ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণ ও মেরামতa

মাটির বাঁধ ডিজাইনের সময় নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হয়....

.*উপরি প্রস্থ :সচরাচর 3 থেকে 4 মিটার রাখা হয়। *ফ্রি বোর্ড: এটি সাধারণত 2 থেকে 3 মিটার রাখা হয়। *ঢাল:কাদা মাটিতে 3:1 এবং বালি মাটিতে 4:1 হারে ঢাল দিতে হবে। *কেন্দ্রীয় অপ্রবেশ্য কোর: পানি চুয়াইয়ে যাতে ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য বাঁধের মধ্য বরাবর বালি বা ইটের দেয়াল দিতে হবে।

 সিড়ির চওড়া সিড়ির প্রস্থ কমপক্ষে ৭৫ সেন্টিমিটার
হওয়া উচিৎ, আর যদি ব্যবহারকারির
সংখ্যা ১০ এর বেশি হয় সেই ক্ষেত্র ৯৫
সেন্টিমিটার। দুই বা এর অধিক পরিবার
হলে ১০০ সেন্টিমিটার এবং একাধিক পরিবার
এবং ১০ এর অধিক ব্যবহারকারি হলে ১২৫ সেন্টিমিটার হওয়া উচিৎ। হোটেল, অফিস,
সিনেমা ইত্যাদি পাবলিক জায়গা সমুহতে এর
চওড়া হবে ১৫০ সেন্টিমিটার। ল্যান্ডিং এর
চওড়া কমপক্ষে সিড়ির মত হবে। ৩০০ এর অধিক
ব্যবহারকারি হলে দুইটা সিড়ি ব্যবহার
করা উচিৎ। সিড়ির পাদানি বা ট্রেড আবাসিক ভবনে সিড়ির ধাপের চওড়া ২৫০
মিমি হওয়া উচিৎ, এবং আবাসিক ছাড়া অন্য
ক্ষেত্রে ৩০০ মিমি হওয়া উচিৎ। সিড়ির রাইজার বা ধাপের উচ্চতা আবাসিক ভবনে সিড়ির ধাপের উচ্চতা সর্বোচ্চ
২০০ মিমি হওয়া উচিৎ, এবং আবাসিক
ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫০
মিমি হওয়া উচিৎ। সিড়ির ঢাল বা স্লোপ ঢাল ২৬ থেকে ৪৫ ডিগ্রির মধ্যে হতে হবে।
তবে ৩০ ডিগ্রি একটি সঠিক পরিমাপ। সিড়ির হ্যান্ডরেইল এর উচ্চতা ৮০০মিমি থেকে ৯০০মিমি এর
মধ্যে থাকতে হবে। সিড়ির হেডরুম বা উচ্চতা এর উচ্চতা ২১০০মিমি এর উপরে থাকতে হবে।
কেননা না হলে ফার্ণিচার উঠা-নামা করার
সমস্যা হতে পারে। আলো-বাতা আলো-বাতাসের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
এবং ইলেক্ট্রিক লাইট এর
ব্যবস্থা থাকতে হবে। সাধারণ টিপ্স ১। সকল ধাপের চওড়া এবং উচ্চতা এক
হতে হবে। অর্থাৎ ট্রেড ও রাইজার একই
হতে হবে।
২। ছাদের সাথে দরজার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৩। হ্যান্ড রেইল এর সাপোর্ট এর দুরত্ব ২৫০
মিমি এর বেশি হওয়া যাবে না। এতে বাচ্চারা পড়ে যেতে পারে।
৪। এক ফ্লাইট এর উচ্চতা সর্বোচ্চ
২৪০০মিমি হবে। এর বেশি হলে উঠতে কষ্ট
হবে। বিশেষ করে বৃদ্ধ মানুষজনের
সমস্যা হবে।
৫। এক ফ্লাইটে ১৫ টির বেশি ধাপ থাকা উচিৎ নয়।
৬। ট্রেড এ নোজিং ব্যবহার করা উত্তম।
৭। পিচ্ছিল করা যাবে না। এমন
ভাবে তৈরি করতে হবে যেন পিছলা না হয়।
৮। প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের
ব্যবস্থা থাকতে হবে